ঢাকার ঈদ উৎসব কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি বহু শতাব্দীর ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সামাজিক রীতিনীতির এক বর্ণিল প্রতিচ্ছবি। মুঘল আমল থেকে শুরু করে আধুনিক সময় পর্যন্ত এই উৎসবের রূপ ও রীতিতে অনেক পরিবর্তন এলেও এর মূল চেতনা আজও বহমান।
ঈদুল ফিতরের চাঁদ আকাশে উঁকি দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই প্রতিটি ঘরে বেজে ওঠে এক চিরন্তন সুর, ‘ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’। এই গান যেন ঈদের আনন্দকে আরও কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু এই কালজয়ী গানের স্রষ্টা বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এবং এর পেছনের প্রেক্ষাপট অনেকেরই অজানা।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী ঈদের গান ‘ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এল খুশির ঈদ’। ঈদের আনন্দ, সৌন্দর্য ও আধ্যাত্মিক দিক তুলে ধরা হয়েছে এই গানে। গানটি বাঙালি মুসলিম সমাজে ঈদ আনন্দের এক আবশ্যকীয় অংশ হয়ে উঠেছে। গানটি প্রথম গেয়েছিলেন আব্বাসউদ্দীন।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবার শিক্ষার্থীদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ‘টেডএক্স’। এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘Unleashing Creativity’-এর মাধ্যমে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি, সৃজনশীল উদ্ভাবন এবং চিন্তার গভীরতাকে অন্বেষণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। আয়োজনটির মিডিয়া পার্টনার আজকের পত্রিকা।
বাসায় দগ্ধ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নাতি বাবুল কাজী (৫৯) মারা গেছেন। আজ রোববার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মারা যান তিনি। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নাতি বাবুল কাজী (৫৯) দগ্ধের ঘটনায় ১৬ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মো. মারুফুল ইসলাম।
নিজ বাসায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নাতি বাবুল কাজী (৫৯)। তাঁর শরীরের ৭৪ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে এবং তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক...
অবশেষে বাংলাদেশের জাতীয় কবির রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেলেন কাজী নজরুল ইসলাম। ১৯৭২ সালের ২৪ মে বাংলাদেশে আসার তারিখ থেকে তাঁকে বাংলাদেশের ‘জাতীয় কবি’ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
কাজী নজরুল ইসলামকে ‘জাতীয় কবি’ হিসেবে ভূষিত করে গেজেট প্রকাশের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকার। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে আজ বৃহস্পতিবার তাঁর কার্যালয়ে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এই প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে...
প্রেম ও দ্রোহের কবি কাজী নজরুল ইসলামকে অবশেষে জাতীয় কবির স্বীকৃতি দিতে যাচ্ছে সরকার। এই স্বীকৃতির পর বাংলাদেশের জাতীয় কবি হিসেবে তাঁর নাম সংবিধানে লেখা হবে।
কিছু কিছু বিতর্ক তৈরি করা হয় সমসাময়িক বিষয় থেকে দৃষ্টি দূরে সরিয়ে রাখার জন্য। পুরো পাকিস্তান আমলেই রবীন্দ্রনাথকে ঘিরে বিতর্ক জারি রাখা হয়েছিল। আমলাতন্ত্র আর সামরিক আমলাতন্ত্র মিলে পাকিস্তান নামক দেশটায় যে স্বৈরশাসন কায়েম করে রেখেছিল, সেদিকে যেন সচেতন মানুষের চোখ না যায়, সে অভিসন্ধি থেকেই রবীন্দ্রনাথ
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) ট্রেজারার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. সৌমিত্র শেখরের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতি অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বুধবার দুদকের কমিশন সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দুদকের গোয়েন্দা ইউনিটের অনুসন্ধানে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অনুসন্
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম পুরস্কার পেলেন চার গুণী ব্যক্তিত্ব। ২০২১ সালে নজরুল গবেষণায় ড. কাজী মোজাম্মেল হোসেন, নজরুল সংগীতে শিল্পী ইয়াসমিন মুশতারী এবং ২০২২ সালে নজরুল গবেষণায় মো. ইদরিস আলী এবং নজরুল সংগীতে শিল্পী সালাউদ্দিন আহমেদকে নজরুল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
সকাল ৮টা। আমাদের গড়ি ছুটে চলেছে নতুন গন্তব্যে। শুক্রবার, তাই রাস্তায় যানজট কম। আমাদের গন্তব্য বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতিবিজড়িত তেওতা জমিদারবাড়ি। দেশের পুরাকীর্তি স্থাপনার মধ্যে মানিকগঞ্জের তেওতা জমিদারবাড়ি উল্লেখযোগ্য।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘আমরা যখন কারাগারে যাই, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে স্মরণ করি। আমাদের যখন কোনো সাজা হয়, তখন আমরা নজরুলকে স্মরণ করি। কেননা, অপরাধের জন্য আমাদের সাজা দেওয়া হয় না। গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করছি বলে আমাদের সাজা দিচ্ছে, আমাদের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।’
একজন দৃঢ়চেতা মানুষ ও প্রতিভাবান সাহিত্যিক হিসেবে কাজী নজরুল ইসলামকে স্মরণ করেছিলেন ‘বুদ্ধির মুক্তি’ আন্দোলনের অন্যতম শরিক আবুল ফজল। তাঁর বক্তব্য থেকে আমরা অনুমান করতে পারি যে, যথেষ্ট প্রস্তুতি নিয়েই নজরুল বাংলা সাহিত্যের আসরে উপস্থিত হয়েছিলেন। যদিও সেই প্রস্তুতির ইতিহাস তেমন একটা বিশদ জানা যায় না। প